মিলন বৈদ্য শুভ,চট্টগ্রাম এস এম টিভি চট্টগ্রাম
আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও নানা আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে দিনটি। ভালোবাসা, মমতা, শ্রদ্ধা ও মানবিক সম্পর্কের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ দিনটি পালন করছেন আনন্দঘন আবহে।বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের ইতিহাস জড়িয়ে আছে খ্রিস্টীয় ঐতিহ্যের সাধু Saint Valentine-এর স্মৃতির সঙ্গে। তাঁর আত্মত্যাগ ও ভালোবাসার বার্তাকে স্মরণ করে ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। সময়ের বিবর্তনে এ দিনটি শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার ভালোবাসা প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং পরিবার, বন্ধু-বান্ধব ও প্রিয়জনদের প্রতি আন্তরিকতা ও কৃতজ্ঞতা জানানোর বিশেষ উপলক্ষ হিসেবে গুরুত্ব পেয়েছে।রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ফুলের দোকান, উপহারের শোরুম ও রেস্তোরাঁগুলোতে লক্ষ্য করা গেছে উপচে পড়া ভিড়। লাল গোলাপ, চকলেট, শুভেচ্ছা কার্ড ও নানা উপহার সামগ্রীর কেনাবেচায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রিয়জনদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বার্তা বিনিময়ের ধুম পড়েছে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও দিনটি ঘিরে দেখা গেছে তরুণ-তরুণীদের উচ্ছ্বাস। অনেকে লাল বা পছন্দের রঙের পোশাক পরে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলছেন এবং আনন্দ ভাগাভাগি করছেন। একই সঙ্গে অনেকে দিনটিকে কেবল ব্যক্তিগত ভালোবাসার নয়, বরং মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার দিন হিসেবেও দেখছেন।সমাজবিশ্লেষকদের মতে, ভালোবাসা দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য নিহিত রয়েছে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহানুভূতি ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার মধ্যে। কেবল আনুষ্ঠানিক উদযাপন নয়, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণই হতে পারে এই দিনের সত্যিকারের প্রতিফলন।ভালোবাসা থাকুক হৃদয়ে, সৌহার্দ্য ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র—এই প্রত্যাশায় আজ উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস।এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা।

0 মন্তব্যসমূহ