এম, এ কাশেম : জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে জিয়াউর রহমান, তার পর তার স্ত্রী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এর পর তাদের-ই সু'যোগ্য সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এর যোগদান এবং ভাষণ বাংলাদেশের অতীতের সকল ইতিহাস এর রেকর্ড ভঙ্গ- ই শুধু নয় সমগ্র বিশ্বের ইতিহাসে রেকর্ড ভঙ্গ করা মাইলফলক দৃষ্টান্ত। আর সেই জন্য সম্ভবত: গিনেস ওয়ার্ল্ড বুকে ও স্থান করে নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মানুষের এর চাইতে আর বেশি প্রাপ্তি কি থাকার কথা? বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে জাতীয় সংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিয়ে বিরল সম্মান প্রাপ্তির মধ্যে ভাসন দিয়েছিলেন। এর পর তার-ই সহধর্মিনী (স্ত্রী) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এক-ই পন্থায় ভাষণ দিয়েছিলেন। আর বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর মরহুম পিতা-মাতার সু'যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান ও এক-ই ভাবে এক-ই স্থানে যোগদান করে ভাষণ প্রদানের মাধ্যমে বাবা-মায়ের সম্মান রক্ষা ও দেশ এবং দেশের মানুষের জন্য বিরল সম্মান কুড়িয়ে আনার দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন। উল্লেখ্য যে, সাবেক প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য সন্তান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম: সাধারণ অধিবেশন (UNGA) এ ভাষণ দিয়ে দেশ এবং দেশের মানুষের জন্য বিরল সম্মান কুড়িয়ে নিতে যাচ্ছেন। এর মাধ্যমে একটি পরিবার থেকে তিন প্রজন্মের বিশ্বমঞ্চে দেশের পক্ষে কথা বলার অনন্য রেকর্ড ও সৃষ্টি হচ্ছে।জিয়া পরিবারের প্রথম সদস্য হিসেবে ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘের ১১তম: বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দেন জিয়াউর রহমান। তার ভাষণের মূল বিষয় ছিলো- দেশের স্বনির্ভরতা, ক্ষুধা-দারিদ্র্য বিমোচন ও দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা (সার্ক-এর ভাবধারা)।এর পর বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘের ৪৮তম: সাধারণ অধিবেশনে প্রথম ভাষণ দেন বেগম খালেদা জিয়া। জাতিসংঘ রেকর্ড অনুযায়ী, ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে তিনি মোট ৫ বার জাতিসংঘের বিভিন্ন সাধারণ ও বিশেষ অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য রাখেন। তিনি মূলত: দেশের গণতন্ত্র, গঙ্গার পানির ন্যায্য অধিকার এবং ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোর অধিকারের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।শেষান্তে-বাবা-মায়ের দেখানো পথ ধরে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি জাতিসংঘের ৮১তম: অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছান। এবং ২৪ সেপ্টেম্বর তার প্রথম জাতিসংঘ ভাষণ দেয়ার কথা রয়েছে। তার এই ভাষণে বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক রূপান্তর, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, জলবায়ু পরিবর্তন ও রোহিঙ্গা সংকটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিশ্বনেতাদের সামনে স্থান পাবে বলে দল এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে থেকে বিশ্বস্ত একাধিক মাধ্যম থেকে জানা গেছে।

0 মন্তব্যসমূহ