রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ এস,এম,টিভি
আজ ৩০ শে জানুয়ারি শুক্রবার, ঠিক সকাল ১১ টায়, ধর্মতলা মেয়ো রোডের সংযোগস্থলে, গান্ধী মূর্তির পাদদেশে, পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির আহবানে, মহাত্মা গান্ধীর ৭৯তম শহীদ দিবসে, মহাত্মা গান্ধীর প্রতি কৃতিতে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন এবং মনরেগা বাঁচাও অভিযান, অবস্থান ও সত্যাগ্রহ আন্দোলন। সত্যাগ্রহ চলে বিকেল চারটে পর্যন্ত।উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি শুভঙ্কর সরকার, প্রাক্তন সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য, আশুতোষ চ্যাটার্জি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং কংগ্রেসের সকল সদস্য।সকাল থেকেই আন্দোলনের সাথে সাথে গানে ,কবিতায় ও প্রতিবাদে গর্জে উঠেন বিভিন্ন নেতা ও নেতৃবৃন্দরা।, তাহারা বলেন আমরা গান্ধীর পথ অনু সরণ করে চলেছি, তাই আজ সত্যাগ্রহ আন্দোলনে গান্ধীর পাদদেশ চোরকি সুতো কেটে প্রতিবাদ জানাচ্ছি, যে সুতোর বুনুনি দিয়ে এক সময় কাপড় তৈরি হতো, মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় , মাথায় তুলে নেরে ভাই, সেই গান্ধীর প্রকল্প কে বাদ দিতে বসেছি,এমনকি গান্ধীর নাম পরিবর্তন করতে চলেছে, আমরা কোনদিনও এটা মেনে নেব না তাই রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধী আমাদের একটাই অনুপ্রেরণা যোগিয়েছেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, যেখানেই উন্নয়ন জাতীয় কংগ্রেস সবার আগে, তাই আজও গান্ধীর মনরেগা বাঁচাও নিয়ে আন্দোলন করছি, যে মন রেগা, গান্ধীজী তৈরি করেছিলেন, গরিবের কথা ভেবে, একশ দিনের কাজ চালু করেছিলেন, আজ কেন্দ্রীয় সরকার সেই সকল মানুষের পেটে লাথি মারতে বসেছে,আজ আসতে আসতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার, সাধারণ মানুষকে পিষে মারছে, চাকরি নাই, কলকারখানা নাই, স্কুলে শিক্ষক নাই, দুর্নীতিতে ভরা। বেকার ছেলেরা চাকরির জন্য রাস্তায় আন্দোলনে, টাকার বিনিময়ে সবকিছু বিক্রি হয়ে যাচ্ছে,তাই আজকে গান্ধীজীর ৭৯ তম শহীদ দিবসে আমরা গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সত্যাগ্রহ আন্দোলনে সামিল হয়েছি।, ১০০ দিনের কাজ বন্ধ হতে দেব না , অবিলম্বে কাজ চালু করতে হবে, আর যতদিন না এর সমাধান হবে আমরা এইভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

0 মন্তব্যসমূহ