নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার জয়বাগ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মাহুতলা কেন্দ্রে যা ঘটেছে, তা শুধু একজন ব্যক্তির ওপর হামলা নয়, বরং মুক্ত গণমাধ্যম এবং গণতন্ত্রের ওপর নগ্ন আঘাত।ঘটনার সারসংক্ষেপ:রাতভর ব্যালটে সিল মারার মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ছবি ধারণ করতে গিয়ে সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন টিটু-নিষ্ঠুর হামলার শিকার হয়েছেন।অভিযোগ অনুযায়ী,সন্ত্রাসীরা তাকে মেরে রক্তাক্ত করেছে। একজন গণমাধ্যমকর্মী যখন পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এমন সহিংসতার শিকার হন, তখন সমাজের বিবেক নিয়ে প্রশ্ন তোলা জরুরি হয়ে পড়ে।আমাদের অবস্থান: মতাদর্শ নির্বিশেষে ধিক্কার:যে দলেরই হোক না কেন, অপরাধীর কোনো বিশেষ পরিচয় থাকতে পারে না। সাংবাদিকের ওপর এই অন্যায়-অবিচার মানা যায় না পেশাগত নিরাপত্তা:সত্য তুলে ধরতে গিয়ে যদি সাংবাদিকরা রক্তাক্ত হন, তবে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর আজীবন অবদমিত থেকে যাবে।তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ:আমরা এই ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।সংবাদকর্মী কোনো পক্ষের শত্রু নন, তারা সমাজের আয়না। এই আয়না ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা যারা করছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করা আমাদের সকলের নাগরিক দায়িত্ব।এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।

0 মন্তব্যসমূহ