লোড হচ্ছে...

রমজানে লেবু ও কলার দাম দ্বিগুণ, বেড়েছে খেজুর-শসা এবং অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ।


মোঃ আব্দুস সালাম:ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি এস এম টিভি রাজশাহী 

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে,   রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন শহরে কাঁচাবাজার গুলোতে হঠাৎ করে লেবু, কলা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে । মাত্র দুই থেকে তিন দিনের ব্যবধানে ২০–৩০ টাকা হালি বিক্রি হওয়া লেবু এখন ৬০–৭০ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে। আকস্মিক এই মূল্যবৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা।১৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন শহরে, সরজমিনে  কাঁচাবাজার গুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, কয়েকদিন আগেও স্বল্পমূল্যে বিক্রি হওয়া লেবু এখন অনেকটাই নাগালের বাইরে। লেবু কিনতে গিয়ে অনেক ক্রেতাকেই বিক্রেতাদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়াতে দেখা গেছে।খেজুর ও শসার বাজারেও ঊর্ধ্বগতি শুধু লেবুই নয়, গত সাত দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন জাতের খেজুরে কেজিপ্রতি ৫০–৭০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। সবচেয়ে কম দামের ‘প্রেম’ খেজুর আগে ২২০–২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন তা ৩০০ টাকায় উঠেছে। মাঝারি মানের খেজুর, যা কয়েকদিন আগেও ৪০০–৪৫০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০০–৫৩০ টাকায়। মরিয়ম খেজুরের দাম ৯৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ হাজার টাকা কেজি। ইরানি মরিয়ম খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা কেজি দরে।শসার দামও বেড়েছে ২০–৩০ টাকা। বর্তমানে প্রতি কেজি শসা ৮০–৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৫০–৭০ টাকা। সবজির বাজারেও চাপসবজির দামও ২০–৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে—বেগুন ৫০–৮০ টাকা কেজি, 

কাঁচামরিচ ১৬০–১৮০ টাকা,

টমেটো ৬০–৮০ টাকা,  

লাউ ৫০–৬০ টাকা,

নতুন করলা ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।তবে পালং শাক ২০ টাকা আঁটি, ফুলকপি ৩০ টাকা কেজি, পেঁয়াজ ৫৫ টাকা কেজি এবং আলু ২০ টাকার নিচে বিক্রি হতে দেখা গেছে।ক্রেতেরা এস এম মিডিয়া প্রতিনিধিকে জানান,রমজান এলেই একটি বড় সিন্ডিকেট বাজার দখল করে দাম বাড়িয়ে দেয়। দুইদিন আগে যে লেবু ৩০ টাকায় কিনেছি, আজ সেটাই ৭০ টাকায় ক্রয় করতে হচ্ছে ।যেসব সবজি বেশি প্রয়োজন হয়, সেগুলোর প্রায় সবগুলোরই দাম বেড়েছে। আলু ছাড়া কম দামে কিছুই নেই।”বিক্রেতারা  এস এম মিডিয়া প্রতিনিধিকে জানান, বাজারেই লেবুর সংকট দেখা দিয়েছে। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হওয়ায় খুচরা বাজারেও দাম বাড়াতে হচ্ছে। সামনে আরও দাম বাড়তে পারে বলেও তারা আশঙ্কা করেন।রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রেতারা আজ চরম দুর্ভোগে ।জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রমজান মাস উপলক্ষে প্রতিদিন বাজার মনিটরিং করা দরকার বলে বিভিন্ন সচেতন মহল মনে করেন ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ