লোড হচ্ছে...

রাজশাহী ৬ ,আসনে আবু সাঈদ চাঁদের বিজয় উপলক্ষে বাঘার যুবদল নেতা সুমনের উদ্যোগে ভুঁড়িভোজ!




মোঃ আব্দুস সালাম ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি: এস এম টিভি,

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মো. আবু সাঈদ চাঁদের বিশাল বিজয় উদযাপনে মুখর এখন পুরো নির্বাচনী এলাকা। এই বিজয় উল্লাসকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং সাধারণ ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে এক বিশাল 'ভুঁড়িভোজ' এর আয়োজন করেছেন স্থানীয় যুবদল নেতা মিজানুর রহমান সুমন।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় যুবদল নেতা সুমনের ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রীতিভোজের খাবার বাঘা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের প্রায় এক হাজার প্যাকেট সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দেওয়া হয়।প্রীতিভোজের আগে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় যুবদল নেতা ও বাঘা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মিজানুর রহমান সুমন বলেন, "আবু সাঈদ চাঁদ চাচার এই বিজয় দীর্ঘ দেড় দশকের শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের রায়। এই আনন্দ কেবল বিএনপির নয়, এটি বাঘা-চারঘাটের প্রতিটি মানুষের। আমরা এই বিজয়ের আনন্দ সবার সাথে ভাগ করে নিতেই আজকের এই ক্ষুদ্র আয়োজন করেছি।"এছাড়াও তিনি আরও বলেন, আমি আপনাদের কাছে আমাদের মজলুম জননেতা আবু সাঈদ চাঁদ চাচার পক্ষ থেকে একটি বার্তা পৌঁছে দিতে চায়। চারঘাট-বাঘায় কোন চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীর স্থান হবে না। যদি কেউ দলের নাম ভাঙ্গিয়ে বা চাঁদ চাচার নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী সহ যে কোন ধরনের অপকর্ম করলে আমি মিজানুর রহমান সুমন তা শক্ত হাতে প্রতিহত করব। আমি নেতা হতে আসিনি, আমি আপনাদের সন্তান। এসেছি আপনাদের সেবা করতে। এটা আমার দায়িত্ব। আপনারা সবাই আমার পাশে থাকবেন এবং আমার জন্য দোয়া করবেন। জানা যায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আবু সাঈদ চাঁদ পেয়েছেন ১,৪৭,৩৪৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ নাজমুল হক পেয়েছেন ৯১,৪৬০ ভোট। প্রায় ৫৫,৮৮৯ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করায় আবু সাঈদ চাঁদের জনপ্রিয়তা আবারো প্রমাণিত হলো বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।এদিকে যুবদল নেতা সুমনের এই আয়োজন স্থানীয় রাজনীতির মাঠে বেশ সাড়া ফেলেছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছেন, দীর্ঘ প্রতিকূলতার পর এমন একটি উৎসব তাদের মনোবল বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।ভোজের অনুষ্ঠানে উপস্থিত একজন সাধারণ ভোটার বলেন, "আমরা অনেক দিন পর প্রাণ খুলে হাসতে পারছি। নেতার বিজয় মানে আমাদের বিজয়। সুমন ভাইয়ের এই ভোজের আয়োজন আমাদের সেই আনন্দকে আরও পূর্ণতা দিয়েছে।"উল্লেখ্য: মিজানুর রহমান সুমন ছাত্র জীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ছোট থেকেই তিনি বিএনপির মিছিল মিটিংয়ে অংশ নিতেন। তার পিতা আব্দুস সামাদ বাঘা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত। পারিবারিক সূত্র ধরেই সুমনের শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া ও আদর্শের সংগঠন বিএনপিতে পথ চলা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ