মাহাবুবুল করিম কামাল নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ১১টি জিডি ও ১১টি মামলা থাকার দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের পাগলা, কোতোয়ালি, গফরগাঁও থানা ছাড়াও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের আদাবর ও মোহাম্মদপুর থানাসহ বিভিন্ন এলাকায় তাঁর নামে জিডি ও মামলা রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে রয়েছে অর্থ আত্মসাৎ, জালিয়াতি, ভূমি দখল, প্রতারণা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ।অভিযোগকারীদের দাবি, অতীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে অর্থ জোগান দেওয়ার সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ভুয়া প্রেস ব্যবসায়ী পরিচয়ে ব্যবসায়ী মহল, আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদের কাছ থেকে বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।আরও অভিযোগ করা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও কমিউনিটি ক্লিনিকসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সম্পদ দখল এবং নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে অর্থ আদায়ের ঘটনাও ঘটেছে।অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাহাবুবুল করিম কামালের স্থায়ী ঠিকানা ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন বারইগাঁও গ্রামে হলেও বর্তমানে তিনি ঢাকার জিগাতলা এলাকায় বসবাস করছেন বলে জানা গেছে।এ বিষয়ে এলাকাবাসী ও অভিযোগকারীরা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে তাঁকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তবে এসব মামলা ও অভিযোগের বিষয়ে নির্দিষ্ট প্রমাণ রয়েছে ।

0 মন্তব্যসমূহ