লোড হচ্ছে...

কুমিল্লা কলেজ শিক্ষার্থী তনু হত্যার ১০ বছর পর ডিএনএ প্রফাইল ক্রস ম্যাচিং করার আবেদন করেছে পিবিআই।


এ জে সোহেল, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ Smtv Media কুমিল্লা।


২০১৬ সালের ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা ময়নামতি সেনানিবাসের অদূরে একটি জঙ্গল থেকে তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তনুর বাবা ইয়ার আহম্মেদ কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ সময় সিআইডি এই মামলার তদন্ত করলেও কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি। পরে ২০২০ সালে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় পিবিআইকে। লন্ডনে থাকা অবস্থায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তনু হত্যার বিচার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সোমবার কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মোঃ তরিকুল ইসলাম। আবেদনে সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক জাহাঙ্গীর আলমের ডিএনএ প্রোফাইল তনুর পোশাকে পাওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক আবেদনটি গ্রহণ করে পর্যালোচনার জন্য রেখেছেন। কুমিল্লা আদালতের কোর্ট পরিদর্শক মামুনুর রশিদ জানান, তনু হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানতে তদন্ত কর্মকর্তাকে আজ হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। সেই অনুযায়ী তদন্ত কর্মকর্তা হাজির হয়ে এই আবেদন করেন। এদিকে আজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন তনুর বাবা ইয়ার আহম্মেদ। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার মেয়ের হত্যার বিচার দাবি করেন। তনু হত্যা মামলার তদন্ত করেছে চারটি পৃথক সংস্থা। মামলায় মোট ছয়জন তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এমনকি দুই দফা ময়নাতদন্ত করা হলেও তনুর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তনুর বাবা ইয়ার আহমদ জানান এ বিষয়ে  প্রধানমন্ত্রীর সাথে খুব শীঘ্রই দেখা করবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস  ও অনলাইন প্রেস ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ