লোড হচ্ছে...

কলকাতা পশ্চিমবঙ্গে পালিত হলো,, মুসলিম সম্প্রদায়ের মহরম উৎসব ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৮৯ তম জন্মদিবস।


সমরেশ রায় ও শম্পা দাস স্টাফ রিপোর্টার Smtv Media কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ।



আজ ২৬ শে জুন শুক্রবার, সারাদেশে পালিত হলো, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 189 তম জন্মদিবস , অন্যদিকে মাদকবিরোধী দিবস ও মুসলিম সম্প্রদায় মানুষের মহরম উৎসব। ঠিক সকাল ১১ টায় মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কলেজ স্ট্রিটের বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান এবং তাহার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে ১৮৯ তম জন্ম দিবস পালন করেন, যাহার লেখা বন্দেমাতরম প্রতিটি মানুষের কন্ঠে উদ্বেলিত হয়। যেই বঙ্কিমচন্দ্রের বাড়িতে বিরোধী দলনেতা হিসাবে ২০২৫ এ শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় মালা দিতে পারেননি। আজ সেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করলেন। উপস্থিত ছিলেন তমগ্ন ঘোষ, তাপস রায় সহ অন্যান্যরা। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কন্ঠে বন্দী মন্ত্র ধ্বনিত হল এবং একে একে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কে শ্রদ্ধা জানালেন।


অন্যদিকে পালিত হয়েছে মাদক বিরোধী দিবস, এই মাধব বিরোধী দিবস উপলক্ষে মানুষকে সচেতন করার বার্তা দিলেন।, নেশা মানুষকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে কি ক্ষতি করতে পারে, নেশার ফলে বাড়িতে নিত্য অশান্তি ও ঝামেলা লেগেই থাকে, তাই তারা বার্তা দিলেন শরীরকে সুস্থ রাখুন নেশা থেকে দূরে থাকুন নিজের জীবনকে সুস্থ করে তুলুন। নেশা যেমন নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যেতে পারে, তেমনি একটা পরিবারকে নষ্ট করে দিতে পারে ।


একই সাথে পালিত হল মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের মহরম উৎসব, মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের মহরম শোকের বার্তা বহন করে, এই মহরম উৎসব কলকাতার নাখোদা মসজিদ টিপু সুলতান মসজিদ থেকে শুরু করে বিভিন্ন মসজিদে পালিত হয়েছে।


তবে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ মতো তারা শান্তিপূর্ণভাবে মহরম উৎসব পালন করেন, কারণ মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যে নির্দেশিকা দিয়েছিলেন সেই নির্দেশিকা মেনেই আজকের এই মহরম উৎসব পালিত হয়। তবে কিছুটা অনেকের মন প্লান করে দিয়েছে, কারণ অন্যান্য বৎসর যেভাবে এলাকায় এলাকায় এই মহরম উৎসবকে কেন্দ্র করে একটা আলাদা ‌ মানুষের ঢল নেমে আসে, এই বছর আমার নিয়ম মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশে কোনরকম অস্ত্র ছাড়া মহরম উৎসব পালন করতে বলেন এবং নির্দিষ্ট পথে তাজিয়া বের করার আদেশ দেন।


অন্যান্য বছর এই মহরমের দিনে, ভিন্ন এলাকার উৎসবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা সকাল থেকে চোখে পড়ার মতো থাকতো কিন্তু এই বৎসর এলাকায় এলাকায় বিকেল চারটের পর পুলিশদের জমায়েত লক্ষ্য করা যায়, বিকেল পাঁচটার পর থেকে মুসলিম সম্প্রদায় মানুষদের উৎসবে হাজির হতে দেখা যায়, ঠিক সন্ধে সাড়ে ছটা নাগাদ প্রত্যেকটি এলাকায় তাজিয়া বের হয়, যাহার ফলে কিছু কিছু রাস্তা বন্ধ রাখতে হয়েছে। যাহাতে কোনো রকম গন্ডগোলের সৃষ্টি না হয় প্রশাসনের তরফ থেকে নজরদারি রাখা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পশ্চিমবঙ্গের প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ