লোড হচ্ছে...

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে হযরত শাহজালাল (রাঃ) ইসলামি একাডেমিতে মিলাদ, গজল ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে হযরত শাহজালাল (রাঃ) ইসলামি একাডেমিতে মিলাদ, গজল ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান  অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: পবিত্র আশুরার তাৎপর্য তুলে ধরা, ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রচার এবং দেশ-জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর এলাকায় অবস্থিত হযরত শাহজালাল (রাঃ) ইসলামি একাডেমির উদ্যোগে এক ধর্মীয় ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে মিলাদ, ইলামি গজল ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে হযরত শাহজালাল (রাঃ) ইসলামি একাডেমিতে মিলাদ, গজল ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান  অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন ২০২৬) সকাল ১১টা ৫ মিনিটে একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ ইকবাল হোসেন চৌধুরী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত ইমাম, তিনজন শিক্ষক, দুইজন বিশিষ্ট মুরব্বি ব্যক্তি, সহ মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার সাংবাদিক মোঃ মারুফ হোসেন এবং প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী।
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে হযরত শাহজালাল (রাঃ) ইসলামি একাডেমিতে মিলাদ, গজল ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান  অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানের সূচনায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর ইসলামি গজল পরিবেশিত হয়, যা উপস্থিত সবার হৃদয় স্পর্শ করে। এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, দেশের উন্নয়ন, জাতির কল্যাণ, মানবতার মঙ্গল এবং সকল মৃত মুসলমানের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মাহর জন্য আত্মত্যাগ, ধৈর্য, ন্যায়নীতি ও সত্য প্রতিষ্ঠার এক অনন্য শিক্ষা। তিনি শিক্ষার্থীদের কোরআন-সুন্নাহর আলোকে জীবন গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারে হযরত শাহজালাল (রাঃ) ইসলামি একাডেমির এমন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে হযরত শাহজালাল (রাঃ) ইসলামি একাডেমিতে মিলাদ, গজল ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান  অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ধর্মীয় এই আয়োজনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অতিথি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক আনন্দঘন ও আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে তবারক হিসেবে শিরনি ও সুস্বাদু জিলাপি বিতরণ করা হয়। স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজন নতুন প্রজন্মকে ইসলামের সুশিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ