প্টুয়াখালী প্রতিনিধি:রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে ঘটে গেল মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা। ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে অটোরিকশার ভয়াবহ সংঘর্ষের পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুটি যানবাহনই পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে গলাচিপা উপজেলার চারজন মানুষের প্রাণ ঝরে গেছে। স্বজনদের ঘরে নেমে এসেছে শোকের মাতম।নিহতরা হলেন,গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের রাজ্জাক প্যাদার ছেলে অটোরিকশাচালক কাইউম প্যাদা (৪৭), একই ইউনিয়নের চার আনি বাউরিয়া গ্রামের অনিল হাওলাদারের মেয়ে শিল্পী রানী (৪৫), তার মেয়ে বিথী রানী (২৩) এবং গোলখালী গাবুয়া গ্রামের আব্দুস সালাম হাওলাদারের ছেলে জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৪০)। তারা সবাই অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১১টা ২০মিনিটে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বসাক বাজারসংলগ্ন ধলু গাজীর মোড় এলাকায় ঢাকা,কুয়াকাটা মহাসড়কে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।ঢাকাগামী ইমরান ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে অটোরিকশাটির সংঘর্ষ হলে মুহূর্তেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস ও অটোরিকশা সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।একটি রাত, একটি মুহূর্ত,আর তাতেই নিভে গেল চারটি প্রাণ। বিশেষ করে মা শিল্পী রানী ও মেয়ে বিথী রানীর একসঙ্গে চলে যাওয়ার ঘটনায় স্বজন ও এলাকাবাসীর মাঝে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে গলাচিপার আমখোলা ও গোলখালীসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়।স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। যে মানুষগুলো জীবনের প্রয়োজনে রাতে ঘর থেকে বের হয়েছিলেন, তাদের আর ঘরে ফেরা হলো না। একটি সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিল চারটি জীবন, রেখে গেল অসংখ্য স্বজনের কান্না ও অপূরণীয় শূন্যতা।


0 মন্তব্যসমূহ