লোড হচ্ছে...

শাহিনের বাড়িতে সবুজের জুয়ার আসর, নীরব প্রশাসন নিয়ে প্রশ্ন সায়েদাবাদে শাহিনের বাড়িতে সবুজের জুয়ার আসর! দীর্ঘদিন ধরে জুয়ার আসর চলার অভিযোগ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের প্রশ্ন ।

বিশেষ প্রতিনিধি রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাআওতাধীন সায়েদাবাদ এলাকায় একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলায় দীর্ঘদিন ধরে কথিত জুয়ার আসর বসার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সায়েদাবাদ ব্রিজের ঢালে দয়াগঞ্জ রোডে মারিয়া এন্টারপ্রাইজের পেছনে শাহিনের বাড়ির দ্বিতীয় তলায় নিয়মিতভাবে সবুজের নেতৃত্বে জুয়ার আসর পরিচালিত হচ্ছে।এলাকাবাসীর দাবি, দিনের পর দিন প্রকাশ্যেই কথিত এ জুয়ার আসর চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। ফলে জুয়ার সঙ্গে জড়িতরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর ওই বাড়ির দ্বিতীয় তলায় বিভিন্ন বয়সী মানুষের আনাগোনা বাড়তে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন ধরনের জুয়া খেলা চলে। জুয়ার আসরকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।দীর্ঘদিনের অভিযোগ, তবুও কেন ব্যবস্থা নেই?স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশ্ন, কোনো একটি স্থানে যদি নিয়মিতভাবে জুয়ার আসর বসে থাকে এবং সেখানে প্রতিদিন মানুষের আনাগোনা থাকে, তাহলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে আসছে না কেন তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত টহল থাকার কথা থাকলেও কথিত জুয়ার আসরটি দীর্ঘদিন ধরে চলার অভিযোগ উঠছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, সায়েদাবাদ ফাঁড়ির ইনচার্জ রাকিবের ছত্রছায়ায় কথিত জুয়ার আসরটি দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে এটি স্থানীয়দের অভিযোগ; এ বিষয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য সরকারি তদন্ত বা প্রমাণের তথ্য পাওয়া যায়নি।ইনচার্জ রাকিবের বক্তব্য পাওয়া যায়নিঅভিযোগের বিষয়ে সায়েদাবাদ ফাঁড়ির ইনচার্জ রাকিবের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।জুয়া বন্ধে দ্রুত অভিযান চান এলাকাবাসীস্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, একটি আবাসিক এলাকায় নিয়মিত জুয়ার আসর বসার অভিযোগ কোনোভাবেইহালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ জুয়ার আসরকে ঘিরে অর্থনৈতিক বিরোধ, মারামারি, মাদকসহ অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।তাদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে কথিত জুয়ার আসরের সত্যতা যাচাই করা হোক। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি এর নেপথ্যে কেউ প্রভাব বিস্তার বা সহযোগিতা করছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ