মোঃ আসিফুল রহমান বিপ্লব স্টাফ রিপোর্টারঃ এস এম টিভি রাজশাহী।
স্বৈরাচারী খুনি হাসিনার শাসনামলে ২০২৩ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর সর্বোচ্চ হাই কমান্ড কঠোর নির্দেশনা দিয়েছিল—দলের কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মী ভোটকেন্দ্রে যাবে না। আন্দোলন ও প্রতিবাদের কৌশল হিসেবে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তৃণমূলের বড় একটি অংশ সক্রিয় ভূমিকা রাখলেও, সেই সময় যারা কাউন্সিলর নির্বাচন কিংবা ভোটপ্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তারা আজ কীভাবে দলের বিভিন্ন ইউনিটে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হচ্ছেন—এই প্রশ্ন ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।সর্বশেষ রাজশাহী নগরীর ২৮ নম্বর ওয়ার্ড পশ্চিম যুবদল–এর আংশিক কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল পর্যায়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দলীয় আদেশ অমান্যকারী হিসেবে পরিচিত এমদাদুলকে ওই কমিটির আহ্বায়ক ঘোষণা করা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত ত্যাগী কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে।নেতাকর্মীদের একাংশের দাবি, দমন-পীড়নের সময় যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, তাদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত ভূমিকার ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আনা দলীয় শৃঙ্খলা ও আদর্শের পরিপন্থী। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে—এই কমিটি গঠনের পেছনে কারা ইন্ধন জুগিয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বা মহানগর নেতৃত্ব আদৌ কোনো যাচাই-বাছাই করেছে কি না।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত তৃণমূলকে দুর্বল করে এবং সংগঠনের ভেতরে আস্থার সংকট তৈরি করে। সময়মতো স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে এই ক্ষোভ আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা দলের সাংগঠনিক ভবিষ্যতের জন্য অশনিসংকেত বলে মনে করছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।

0 মন্তব্যসমূহ