লোড হচ্ছে...

রাজশাহীর মোহনপুরে জমি নিয়ে বিরোধে তরুণ কৃষক জুবায়ের হোসেনকে (২৫) ভেকু মেশিনের নিচে ফেলে হত্যার ঘটনায় ২ জন আসামী গ্রেফতার র‍্যাব-৫।

 


নিজস্ব প্রতিবেদক রাজশাহী বিভাগ Smtv Media রাজশাহী।

র‍্যাব প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সন্ত্রাসী, সঙ্ঘবদ্ধ অপরাধী, মাদক, অস্ত্র, ছিনতাইকারী এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখ দুপুর ১১.৩০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব হেডকোয়াটারস্ ইন্ট উইং এর সহযোগিতায় র‍্যাব-৫. সিপিএসসি এর চৌকস আভিযানিক দল রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাংগা থানাধীন কোর্ট ষ্টেশন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে রাজশাহী জেলার মোহনপুর থানার চাঞ্চল্যকর জোবায়ের হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১নং আসামি মোঃ মোনারুল ইসলাম রুহুল আমিন (৩৩) ও ৩নং আসামি মোঃ রুবেল হোসেন (৩৮) কে গ্রেফতার করে।এজাহারে বর্ণিত ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত ১৭/১২/২০২৫ খ্রিঃ রাত্রী অনুমান ২২.৪৫ ঘটিকার সময় মোহনপুর থানাধীন বড় পালশা গ্রামস্থ পালশা পূর্ব বিলে আমার জমির পূর্বে পার্শ্বে জনৈক রবিন এর জমিতে এজাহারনামীয় আসামীগণ ভেকু দিয়ে মাটি কাটতেছে। ভিকটিম আহমেদ জোবায়ের (২২) সহ গ্রামের অনেকেই ভেকু মেশিনের সামনে মাটি কাটতে নিষেধ করিলে এজাহারনামীয় আসামী ১। মোঃ মোনারুল ইসলাম অরফে রুহুল আমিন, ৩। মোঃ রুবেল হোসেন এবং ৪। মোঃ আনিসুর রহমান বকুলসহ হুকুম দেয় যে, ওদেরকে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটির সাথে পিষে দে। আমার ছেলে ভিকটিম আহমেদ জোবায়ের (২২) ভেকুর বাড়ি খেয়ে মাটিতে পড়ে গেলে ভেকু মেশিনের মাথা দিয়ে টেনে চাকার সামনে রেখে শরীরের উপর দিয়ে ভেকু মেশিন চালিয়ে নিয়ে গেলে আমার ছেলে গুরুতর জখম প্রাপ্ত হন। ভিকটিম এর স্ত্রীসহ গ্রামের লোকজন অটোভ্যান যোগে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিম আহমেদ জোবায়ের (২২) মৃত বলে ঘোষনা করেন। ঘটনার পরপরই ঘাতক আসামীরা এলাকা ছেড়ে আতাগোপনে চলে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা মোঃ রফিকুল ইসলাম (৫৮) বাদী হয়ে রাজশাহী জেলার মোহনপুর থানার মামলা নং-১১, তারিখ-১৮/১২/২০২৫ খ্রিঃ, জিআর নং-২২৮ তারিখঃ ১৮/১২/২০২৫ খ্রিঃ, ধারা: ৩০২/১০৯/১১৪/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০ আইনে ০৮ জন এজাহারনামীয় আসামি এবং অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে। এ ঘটনায় মামলা রুজুর পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের ভিত্তিতে সিপিএসসি, র‍্যাব-৫, রাজশাহীর একটি দল আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। উক্ত আসামি অবস্থান সনাক্তপূর্বক র‍্যাব-৫, সিপিএসসি এর একটি আভিযানিক দল রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাংগা থানাধীন কোর্ট ষ্টেশন এলাকায় অদ্য ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখ আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। উক্ত ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের পরিবেশ সৃষ্টি করে।ধৃত এজাহারনামীয় আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ