লোড হচ্ছে...

রাজশাহীতে রাসায়নিক কীটনাশকের ভয়াবহতা এবং নিষিদ্ধ কীটনাশক বন্ধের দাবিতে একটি অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।






পলি রানী রাজশাহী প্রতিনিধিঃ Smtv Media  রাজশাহী বিভাগ।

“নিরাপদ খাদ্য আমাদের অধিকার, খাদ্য সার্বভৌমত্ব ধ্বংসের বিরুদ্ধে জাগো তারুণ্য”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহীতে রাসায়নিক কীটনাশকের ভয়াবহতা এবং নিষিদ্ধ কীটনাশক বন্ধের দাবিতে একটি অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার  (৮ মার্চ ২০২৬)  বিকেলে বারসিক রাজশাহী আঞ্চলিক রিসোর্স সেন্টারে,  বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরাম, গ্রিন কোয়ালিশন ও বারসিকের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আইন ও পরিবেশ গবেষক, নৃ-বিজ্ঞানী এবং বারসিকের বরেন্দ্র অঞ্চলের সমন্বয়কারী মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে কৃষিক্ষেত্রে অতিরিক্ত রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব বিষাক্ত কীটনাশক খাদ্যের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে এবং মাটি, পানি ও জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই দেশে নিষিদ্ধ কীটনাশকের ব্যবহার ও বাজারজাতকরণ বন্ধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।তিনি উল্লেখ করেন, কৃষকদের জৈব ও পরিবেশবান্ধব চাষাবাদে উৎসাহিত করা এবং ভোক্তাদের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং খাদ্য সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব।তিনি আরও বলেন, একসময় কৃষকের উৎপাদন তুলনামূলক কম হলেও তারা স্বাস্থ্যকর ও বিষমুক্ত খাবার খেতেন। ফলে মানুষের অসুস্থতা কম ছিল এবং চিকিৎসার প্রয়োজনও কম পড়ত। কিন্তু বর্তমানে উৎপাদন ও আয় বাড়লেও খাবারে নানা ধরনের রাসায়নিক মিশে যাওয়ায় বিভিন্ন জটিল রোগ বাড়ছে। এর ফলে মানুষের উপার্জনের বড় একটি অংশ চিকিৎসা খরচে ব্যয় হচ্ছে।সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, কৃষিক্ষেত্রে অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এবং কৃষকদের জৈব চাষাবাদে উৎসাহিত করা জরুরি। একই সঙ্গে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং নিষিদ্ধ কীটনাশক বন্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা। সভায় স্থানীয় অ্যাডভোকেট, কৃষক, যুবক, লেখক, শিক্ষক, সাংবাদিক, নাগরিক সমাজসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ