![]() |
| সাংবাদিক প্রিয়া চৌধুরী |
সাংবাদিক প্রিয়া চৌধুরীর প্রতিবেদনে এসব নাম প্রকাশের পর মাদক সিন্ডিকেটের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসীর দাবি, যাদের নাম প্রকাশ হয়েছে তারা এখন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং সাংবাদিককে টার্গেট করার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে সাংবাদিকদের ভয়ভীতি দেখানো, হামলা ও ব্ল্যাকমেইলের ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রিয়া চৌধুরী বলেন, তিনি শুধুমাত্র তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক হুমকির কারণে নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি শঙ্কিত।
এলাকাবাসীর মতে, যে ব্যক্তি মাদকের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সত্য প্রকাশের সাহস দেখিয়েছেন, তাকে যদি যথাযথ নিরাপত্তা না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে কেউ আর এমন সাহস দেখাতে এগিয়ে আসবে না। তারা দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের নাম প্রকাশের পরও দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা গ্রেপ্তার না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মাদক নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।
বর্তমানে মুগদা, মান্ডা ও মানিকনগর এলাকায় মাদক শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়, এটি একটি বড় সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে। তরুণ সমাজ ধ্বংসের পথে এগোচ্ছে, অপরাধ বাড়ছে এবং মানুষের নিরাপত্তা কমছে।এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিক প্রিয়া চৌধুরীর একক লড়াই যেমন সাহসিকতার প্রতীক, তেমনি এটি রাষ্ট্র ও প্রশাসনের জন্যও একটি বড় পরীক্ষা। এখন প্রশ্ন একটাই, সত্য প্রকাশকারীরা নিরাপদ থাকবে, নাকি অপরাধীরা এলাকায় তাদের আধিপত্য বজায় রাখবে।

0 মন্তব্যসমূহ