আজ ৩১শে মে রবিবার, সোনারপুর এলাকার কাউন্সিলর মৃত্যুতে, পরিবারের সাথে দেখা করতে ও সমবেদনা জানাতে যান তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। সেই মুহূর্তেই এলাকার মানুষ খুবই ফেটে পড়ে, তাহারা বলেন এখানে অনেক কিছু ঘটনা ঘটেছে কোথায় সেই সময় তো এইভাবে দেখা করতে আসেননি এতেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন সোনারপুর এলাকার বাসিন্দারা।
এলাকার সকল বাসিন্দারা একজোট হয়ে অভিষেক ব্যানার্জি বেরোনোর সাথে সাথে ঘিরে ধরেন এবং অভিষেক ব্যানার্জিকে আক্রমণ করতে থাকেন, প্রতিবাদ করে বলেন এতদিন তো সোনারপুরে অনেক কিছু ঘটেছে কোথায়? আপনাকে তো একবার খুঁজে পাওয়া যায়নি। এই নিয়েই কবে ফেটে পড়তে দেখা যায় এবং অভিষেক ব্যানার্জির উপর চড়াও হয়ে, ডিম , ইট, চর থাপ্পর মারতে শুরু করেন এলাকার মহিলারা, কোনভাবেই বাঁচার চেষ্টা করলেও এবং একটি হেলমেট পড়ে নিজের মাথা বাঁচানোর চেষ্টা করলেও, মহিলারা তাহাকে ছাড়েননি, সাথে সাথে চোর, গুন্ডা বলে, অপবাদ দিতে থাকেন, তিনি এলাকার প্রশাসনকে খবর দিলেও ঘটনা স্থলে পৌঁছাননি কোনভাবে, নিজের প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেন। এলাকার মানুষেরা জানান, যাহাকে উনি সমবেদনা জানাতে এসেছেন, এলাকায় যিনি মস্তানি, গুন্ডামি, মহিলাদের উপর নির্যাতন করেছিলেন তখন কোথায় ছিলেন, আজ তিনি সমবেদনা জানাতে এসেছেন।
অন্যদিকে অভিষেক ব্যানার্জি অভিযোগ করেন, বিজেপির পৃষ্ঠপোষকতায় আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছেন এলাকার মানুষকে দিয়ে।, আমি এ বিষয়টি উচ্চ আদালতে জানাবো। এমনকি রাজ্যপাল কেও। ভাগ্যক্রমে আমি একটি হেলমেট পড়েছিলাম বলে কোনভাবে রেহাই পেয়েছি। আমার জামাকাপড় ছিঁড়ে দিয়েছে এমনকি চশমাও ভেঙে দিয়েছে।
তিনি বিজেপিকে তুলে ধরে বলেন দেখুন গণতন্ত্রের উদাহরণ, একমাসও হয়নি। এরকম একটি ঘটনা ঘটলেও পুলিশের উপস্থিতি ছিল না। তা আমাদের হত্যা করতে চাই, তবে একটা কথা বলে রাখি, এখান থেকে আমার লাস্ট উদ্ধার হবে কিন্তু আমি এলাকা ছাড়ছি না, আরো বলেন অতিরিক্ত বাহিনী না আসা পর্যন্ত আমি সঞ্জুর বৃদ্ধ বাবা মাকে এই অবস্থায় ট্যাগ করবো না। আমি আমাদের প্রতিনিধিদের পুলিশের সাথে যোগাযোগ করতে বলবো। এরকম একটি ঘটনার কাছে থানা থাকা সত্ত্বেও কেন ঘটনাস্থলে অফিসারেরা আসলেন না। তিনি পুলিশ মন্ত্রীর উপরও ক্ষোভ উপরে দিলেন। তিনি বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যখন পুলিশ মন্ত্রী ছিলেন, তখন কিন্তু সবার নিরাপত্তার কথা ভাবতেন, এই ঘটনা ঘটার আগে অভিষেক ব্যানার্জীর বাড়িতে সিআইডি উপস্থিত হলে, তিনি তাহাদের সাথে দেখা করেন এবং সেখান থেকেই সোনারপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। শনিবার সারাদিনই তিনি বিভিন্ন জায়গায় কর্মসূচিতে বেরিয়েছিলেন। তাহার পরেই এইরকম একটি ঘটনায় শিকার হলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গের প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া অনলাইনের মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।




0 মন্তব্যসমূহ