আগামী ১ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে নগরীর আগ্রাবাদস্থ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে। নতুন ভবন নির্মাণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির সব কার্যক্রম অস্থায়ীভাবে এখান থেকেই পরিচালিত হবে। জানা গেছে, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে কাস্টম হাউসের নতুন ভবন নির্মাণাধীন রয়েছে। সেই ভবনের কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবনটির মালিক চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। এ বিষয়ে ৫ মে (মঙ্গলবার) আগ্রাবাদস্থ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, কাস্টম হাউস ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬০০ বর্গফুট অফিস স্পেস এবং ৮ হাজার বর্গফুট গ্যারেজ সুবিধা ব্যবহার করবে। চেম্বারের পক্ষে প্রশাসক ও চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. মোতাহার হোসেন এবং কাস্টম হাউসের পক্ষে কমিশনার মোহাম্মদ শফি উদ্দিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চেম্বার প্রশাসক মো. মোতাহার হোসেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও থাইল্যান্ডের অনারারি কনসাল আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, কাস্টম হাউস কমিশনার মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের শেখ আবু ফয়সল মো. মুরাদ, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এসএম সাইফুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী। চেম্বার সূত্রে জানা যায়, দেশের প্রথম ও একমাত্র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারটি নিউইয়র্কভিত্তিক ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত। প্রায় সাত লাখ বর্গফুট আয়তনের ২৪ তলা আন্তর্জাতিক মানের এ ভবনে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। এতে ১৪টি লিফট, ৩টি বেইজমেন্টে ২৫০টি গাড়ি পার্কিং সুবিধা এবং একটি হেলিপ্যাড রয়েছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চেম্বারের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ ও ফরিদ আহমেদ চৌধুরীসহ কাস্টমসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং চেম্বারের সাবেক নেতৃবৃন্দ ও কর্মকর্তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।

0 মন্তব্যসমূহ