মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর দিক নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্ত দিয়ে যাতে অবৈধভাবে চোরাচালানী মালামাল, মাদকদ্রব্য কিংবা নারী ও শিশু পাচার করতে না পারে, সে লক্ষ্যে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যগণ কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল তৎপরতা বৃদ্ধি করে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ০৭ জুন ২০২৬ তারিখে রাত আনুমানিক ০০১০ ঘটিকায় ইউসুফপুর বিওপি’র আভিযানিক দল চারঘাট থানাধীন ইউসুফপুর কান্দিপাড়া নামক এলাকায় অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যে ওৎ পেতে থাকে। দীর্ঘসময় ওৎ পেতে থাকার এক পর্যায়ে বিজিবি’র আভিযানিক দল কিছুটা দূরে লোকজনের আনাগোনা শুনতে পায় এবং ঘটনা যাচাই করার জন্য সুকৌশলে অগ্রসর হয়। বিজিবি’র আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকরাবারীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরক্ষনে আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কাউকে দেখতে না পেয়ে আশেপাশে তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশীর এক পর্যায়ে আভিযানিক দল একটি ব্যাগ দেখতে পায় এবং ব্যাগটি খুললে তার মধ্য হতে ১০,০০০ পিস ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মালামাল রাজশাহী শুল্ক অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। একই দিনে রাত আনুমানিক ০০৩০ ঘটিকায় রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর অধীনস্থ খিদিরপুর বিওপি’র নিয়মিত টহল দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কাটাখালী থানাধীন পশ্চিম বাতান নামক এলাকা দিয়ে মাদক দ্রব্য পাচার হবে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি’র টহল দল তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে আম বাগানের ভিতরে ওৎ পেতে থাকে। দীর্ঘসময় ওৎ পেতে থাকার পর দেখতে পায় যে, একজন মাদক কারবারী আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে আম বাগানের দিকে আসছে। উক্ত মাদক কারবারী আম বাগানের কাছাকাছি আসার পর তাকে ধরার জন্য ধাওয়া করলে তার কাছে থাকা একটি বস্তা ফেলে তাৎক্ষনিক দৌড়ে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি’র আভিযানিক দল কর্তৃক বস্তাটি তল্লাশী করে তার মধ্য হতে ৫,০০০ পিস ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মালামাল রাজশাহী শুল্ক অফিসে জমা দেয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী প্রেসক্লাবের সকল প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া অনলাইনের মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।

0 মন্তব্যসমূহ