লোড হচ্ছে...

পটুয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে ১৭ বছরের মোসাদ্দেক, রিকশাচালক বাবার আর্তনাদ ছেলেকে বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়ান।


নাসির উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ Smtv Media  পটুয়াখালী।

পটুয়াখালীর লোহালিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নাজিরপুর গ্রামের অসহায় রিকশাচালক মোঃ জাকারিয়া মৃধার সংসারে নেমে এসেছে চরম দুর্ভাগ্য।সামান্য একটি রিকশা চালিয়ে কোনোমতে পরিবার চালানো এই পিতার বড় ছেলে, ১৭ বছর বয়সী ট্রাকের হেল্পার মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন, ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুন ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) ভোর প্রায় ৫টার দিকে টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাকে কর্মরত অবস্থায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন মোসাদ্দেক।দুর্ঘটনার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকায় নেওয়া হয়। পরে উত্তরা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।অবস্থার আরও অবনতি হলে সেখান থেকে তাকে পিজি হাসপাতাল (বর্তমান বিএসএমএমইউ)-এ স্থানান্তর করা হয়।চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় তার মাথা, বাম হাত, মুখের মাড়িসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত ও একাধিক হাড় ভেঙে গেছে।বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার পাশাপাশি স্নায়বিক জটিলতাও দেখা দিয়েছে, যা পরিবারকে আরও উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।এ বিষয়ে চিকিৎসক ডা. মোঃ মামুনুর রশিদ (সানি) জানান, মোসাদ্দেকের উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় তাকে দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসা করানোর প্রয়োজন হতে পারে।এদিকে, চিকিৎসার বিপুল ব্যয় বহন করা অসহায় রিকশাচালক জাকারিয়া মৃধার পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিদিন হাসপাতালের খরচ, ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যয় মেটাতে গিয়ে পরিবারটি এখন নিঃস্ব হওয়ার পথে। অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় ছেলের জীবন নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে এই অসহায় পিতার।স্থানীয়রা জানান, মানবিক সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, সমাজসেবক এবং সরকারি-বেসরকারি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে এলে হয়তো নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারে ১৭ বছরের মোসাদ্দেক। একটি পরিবারের শেষ আশাটুকু বাঁচিয়ে রাখতে সমাজের হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক প্রিন্ট মিডিয়া অনলাইনের মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ