ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৪নং পরানগঞ্জ ইউনিয়নের আম্বিকাগঞ্জ (সাবার) বাজারে এক হৃদয়বিদারক ও ক্ষোভের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।অসহায় যুবক সোহেল হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার ও খুনিদের ফাঁসির দাবিতে আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজকের এই মানববন্ধনে অংশ নেন নিহতের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় পরানগঞ্জ ইউনিয়নের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।
দুপুরের পর থেকেই ব্যানার, ফেস্টুন হাতে হাজারো মানুষ আম্বিকাগঞ্জ বাজারে জড়ো হতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো বাজার এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। এ সময় সমবেত জনতা সোহেলের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে পরানগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেন, "সোহেল একজন অত্যন্ত অসহায় ও শান্ত প্রকৃতির ছেলে ছিল। তাকে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। প্রশাসনের কাছে আমাদের আকুল আবেদন, অবিলম্বে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।"মানববন্ধনে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহত সোহেলের স্ত্রী।
দুপুরের পর থেকেই ব্যানার, ফেস্টুন হাতে হাজারো মানুষ আম্বিকাগঞ্জ বাজারে জড়ো হতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো বাজার এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। এ সময় সমবেত জনতা সোহেলের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে পরানগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেন, "সোহেল একজন অত্যন্ত অসহায় ও শান্ত প্রকৃতির ছেলে ছিল। তাকে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। প্রশাসনের কাছে আমাদের আকুল আবেদন, অবিলম্বে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।"মানববন্ধনে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহত সোহেলের স্ত্রী।
তিনি আর্তনাদ করে বলেন, "আমার স্বামীকে যারা বিনা অপরাধে কেড়ে নিয়েছে, আমি তাদের ফাঁসি চাই। আমার ছোট ছোট সন্তানদের যারা এতিম করেছে, তাদের যেন কঠিন বিচার হয়।নিহতের চাচাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সোহেলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে খুনিদের গ্রেফতার করে আইনের মুখোমুখি করা না হয়, তবে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে।ঘণ্টাব্যাপী চলা এই মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অসহায় একটি পরিবারের ওপর ঘটে যাওয়া এই অন্যায়ের বিচার করতে হলে খুনিদের ফাঁসি ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি অবিলম্বে আসামিদের গ্রেফতারের জোরালো দাবি জানিয়ে মানববন্ধন শেষ হয়।



0 মন্তব্যসমূহ