পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের চর সুহরী ও চর হরিদেবপুর এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ নিরসনে স্থানীয়দের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সভায় বক্তারা বাবুচি বাড়ি থেকে হরিদেবপুর পর্যন্ত মাটির রাস্তাটি দ্রুত পাকা করার জোর দাবি জানান।সভায় বক্তারা বলেন, বর্ষা মৌসুম এলেই রাস্তাটি কাদায় একেবারে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়,মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গলাচিপা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী, গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগী, পানচাষি কৃষক, দিনমজুর ও কর্মজীবী মানুষকে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।এ রাস্তাটি গলাচিপা উপজেলা শহর, হাসপাতাল, হরিদেবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছে।প্রতিদিন অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করলেও রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।স্থানীয়দের উদ্যোগে ইতোমধ্যে বাবুচি বাড়ি থেকে হরিদেবপুর পর্যন্ত মাটির রাস্তায় বালু ও ইটের পিক ফেলে সাময়িকভাবে চলাচল উপযোগী করার কাজ শুরু হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দা মো. আবুল বশার খান বলেন, “আমরা পানচাষ করে জীবিকা নির্বাহ করি। কিন্তু বর্ষাকালে রাস্তার করুণ অবস্থার কারণে সময়মতো বাজারে পান নিয়ে যেতে না পারায় আমাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।চর সুহরী গ্রামের বাসিন্দা মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, “এই এলাকার শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষক ও কর্মজীবী মানুষ প্রতিদিন সীমাহীন কষ্টে যাতায়াত করছে। তাই আমরা স্থানীয়ভাবে বালু ও ইটের পিক ফেলে দুর্ভোগ কিছুটা কমানোর উদ্যোগ নিয়েছি। তবে এটি স্থায়ী সমাধান নয়।সভা থেকে স্থানীয়রা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান, গোলখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাবুচি বাড়ি থেকে হরিদেবপুর পর্যন্ত সড়কটি দ্রুত পাকা করা হোক।এতে চর সুহরী ও চর হরিদেবপুরসহ আশপাশের হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে এবং এলাকার শিক্ষা, কৃষি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।

0 মন্তব্যসমূহ