একজন শিক্ষার্থীর জীবনে শিক্ষাগুরুর ভূমিকা অনন্য ও অপরিসীম। একজন শিক্ষক শুধু বর্ণমালা বা পাঠ্যশিক্ষাগুরু—একজন শিক্ষার্থীর জীবনের আলোর দিশারি একজন শিক্ষার্থীর জীবনে শিক্ষাগুরুর ভূমিকা অনন্য ও অপরিসীম। একজন শিক্ষক শুধু বর্ণমালা বা পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানই দেন না; তিনি শিখিয়ে দেন শৃঙ্খলা, সততা, মানবিকতা, নৈতিকতা, অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস এবং জীবনে সঠিক পথে এগিয়ে চলার শিক্ষা। একজন প্রকৃত শিক্ষকের স্নেহ, দিকনির্দেশনা ও আশীর্বাদই একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গঠনের ভিত্তি রচনা করে।আমার জীবনে এমন দুজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষাগুরু আছেন, যাঁদের ভালোবাসা, স্নেহ ও শিক্ষা আজও আমাকে অনুপ্রাণিত করে। তাঁরা হলেন ধ্রুব রাজ বণিক ও মাকসুদুল মাওলা স্যার। ১৯৯৮ সালে চাঁদপুর পুরান বাজার ২ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই তাঁদের সান্নিধ্য লাভের সৌভাগ্য হয় আমার। তাঁদের হাত ধরেই আমি প্রথম বর্ণমালা শিখেছি। সেই বর্ণমালার ভিত্তিতেই আজ আমি লিখতে, ভাবতে এবং নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারি। আমার আজকের সামান্য অর্জনের পেছনেও তাঁদের অবদান গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। তাঁদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ করার নয়, কোনোদিন ভোলারও নয়।আমি বিশ্বাস করি, যারা আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সম্মানের সঙ্গে তাঁদের শিক্ষাগুরুদের মূল্যায়ন করেন, মহান আল্লাহ তাআলা তাঁদেরও সম্মান ও মর্যাদায় ভূষিত করেন। তাই জীবনের প্রতিটি অর্জনের পেছনে যাঁদের অবদান রয়েছে, সেই শিক্ষাগুরুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।আমার প্রিয় দুই শিক্ষাগুরুর প্রতি রইল অন্তরের গভীর থেকে অফুরন্ত শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা এবং সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ুর জন্য আন্তরিক দোয়া বইয়ের জ্ঞানই দেন না; তিনি শিখিয়ে দেন শৃঙ্খলা, সততা, মানবিকতা, নৈতিকতা, অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস এবং জীবনে সঠিক পথে এগিয়ে চলার শিক্ষা। একজন প্রকৃত শিক্ষকের স্নেহ, দিকনির্দেশনা ও আশীর্বাদই একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গঠনের ভিত্তি রচনা করে। আমার জীবনে এমন দুজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষাগুরু আছেন, যাঁদের ভালোবাসা, স্নেহ ও শিক্ষা আজও আমাকে অনুপ্রাণিত করে। তাঁরা হলেন ধ্রুব রাজ বণিক ও মাকসুদুল মাওলা স্যার। ১৯৯৮ সালে চাঁদপুর পুরান বাজার ২ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই তাঁদের সান্নিধ্য লাভের সৌভাগ্য হয় আমার।তাঁদের হাত ধরেই আমি প্রথম বর্ণমালা শিখেছি। সেই বর্ণমালার ভিত্তিতেই আজ আমি লিখতে, ভাবতে এবং নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারি। আমার আজকের সামান্য অর্জনের পেছনেও তাঁদের অবদান গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। তাঁদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ করার নয়, কোনোদিন ভোলারও নয়।আমি বিশ্বাস করি, যারা আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সম্মানের সঙ্গে তাঁদের শিক্ষাগুরুদের মূল্যায়ন করেন, মহান আল্লাহ তাআলা তাঁদেরও সম্মান ও মর্যাদায় ভূষিত করেন। তাই জীবনের প্রতিটি অর্জনের পেছনে যাঁদের অবদান রয়েছে, সেই শিক্ষাগুরুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।আমার প্রিয় দুই শিক্ষাগুরুর প্রতি রইল অন্তরের গভীর থেকে অফুরন্ত শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা এবং সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ুর জন্য আন্তরিক দোয়া।এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরে প্রেসক্লাবের সকল প্রেস ও ইলেকট্রনিক প্রিন্ট মিডিয়া অনলাইনের মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।

0 মন্তব্যসমূহ