খুলনা দিঘলিয়ার সেনহাটি ইউনিয়নের ষ্টার ২নং গেট বাজারের ডেকোরেটর মোঃ মিলন হোসেন একজন বাবুর্চি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে রন্ধনশিল্প পরিচালনা করে আসছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, মিলন হোসেনের পরিবারে রয়েছে স্ত্রী এবং তিন সন্তান। রন্ধনশিল্পে বাবুর্চির কাজ করেই তার উপার্জন এবং জীবন যাত্রা নীর্বাহ করা। তিনি শুধুমাত্র দিঘলিয়াতেই নয় বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে গিয়ে রান্না করেন। মানুষ তার রান্না খাবার খেয়ে ইতোমধ্যে সুনাম ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি তার রান্না খাবার তৃপ্তির সাথে মানুষকে খাওয়ান। তার স্ত্রী মোসাঃ সামলা বেগমের নামেই তার প্রতিষ্ঠান সালমা ডেকোরেটর নামে নামান্তর।
মোঃ মিলন হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, আমার রান্না করা খাবার খেয়ে কেউ যদি প্রশংসা করে তবে রান্নার ক্ষেত্রে আমার সার্থকতা। আমি ৩৬ বছর ধরে এই রন্ধনশিল্প পরিচালনা করে আসছি। গত বুধবার দুপুরে খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের কণ্ঠস্বর পত্রিকার ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানের খাবার আমি রান্না করেছি। সবাই বলেছে রান্না খুব ভালো হয়েছে। সবাই খুব তৃপ্তি সহকারে খাওয়া দাওয়া করেছে।
রান্নার প্রশংসা শুনে আমি খুবই আনন্দিত হয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশনই একজন রন্ধনশিল্পীর সবচেয়ে বড় পরিচয়। আমি সকল প্রকারের খাবার রান্না করতে পারি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।
রান্নার প্রশংসা শুনে আমি খুবই আনন্দিত হয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশনই একজন রন্ধনশিল্পীর সবচেয়ে বড় পরিচয়। আমি সকল প্রকারের খাবার রান্না করতে পারি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।



0 মন্তব্যসমূহ