চাঁদপুর।
চাঁদপুর শহরের পুরানবাজার পশ্চিম জাফরাবাদ এলাকার বাসিন্দা মো. শাহ আলম ওরফে (মিষ্টি) সরদারের পরিবার আজও একটি নিরাপদ আশ্রয়ের স্বপ্ন দেখছে। নিজস্ব কোনো জমি-জমা নেই। ২০০৯ সালে মেঘনা নদীর ভাঙনে তাদের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এরপর থেকে অন্যের জমিতে একটি জরাজীর্ণ কুঁড়েঘর নির্মাণ করে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি।বর্তমানে শাহ আলম ওরফে (মিষ্টি)সরদার স্ত্রী সাফিয়া বেগম, চার ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে পুরানবাজার পশ্চিম জাফরাবাদ খান বাড়ির বাগানের জমিতে বসবাস করছেন। বর্ষা মৌসুম এলেই মেঘনা নদীর পানি তাদের ঘরে ঢুকে পড়ে। তখন পরিবারটির দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে যায়। বৃষ্টির রাতগুলো কাটে আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তার মধ্যে।
জীবিকার তাগিদে শাহ আলম ওরফে (মিষ্টি) সরদার প্রতিদিন চাঁদপুর পুরানবাজার ব্রিজের গোড়ায় বিভিন্ন যানবাহন ঠেলে সামান্য আয় করেন। সেই আয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী সাফিয়া বেগম বাড়ি বাড়ি কাঁচা তরকারি বিক্রি করেন। তবুও অভাবের সংসার টিকিয়ে রাখতে অনেক সময় মানুষের দ্বারে দ্বারে সহায়তা চাইতে হয়।অভাব-অনটনের কারণে সন্তানদের লেখাপড়া ও স্বাভাবিক জীবনযাপনও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। একটি নিরাপদ বসতঘরের অভাবে পরিবারটি প্রতিনিয়ত দুর্বিষহ জীবন পার করছে।
এ অবস্থায় চাঁদপুরের মাননীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মানবিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প বা বিশেষ আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে যদি শাহ আলম ওরফে (মিষ্টি) সরদারের পরিবারকে একটি স্থায়ী বাসস্থান নির্মাণ করে দেওয়া হয়, তাহলে দীর্ঘদিনের দুঃখ-কষ্টের অবসান ঘটবে এবং পরিবারটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ পাবে।স্থানীয়দের ভাষ্য, একটি ঘরই পারে অসহায় এই পরিবারটির জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালাতে।
তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগই হতে পারে শাহ আলম ওরফে (মিষ্টি) সরদার ও তাঁর পরিবারের জন্য বেঁচে থাকার নতুন প্রেরণা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক প্রিন্ট মিডিয়া অনলাইনের মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।
তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগই হতে পারে শাহ আলম ওরফে (মিষ্টি) সরদার ও তাঁর পরিবারের জন্য বেঁচে থাকার নতুন প্রেরণা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক প্রিন্ট মিডিয়া অনলাইনের মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।



0 মন্তব্যসমূহ