লোড হচ্ছে...

মান্ডা রকেট মামুনের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ, রয়েছে বরাবর প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ।


ঢাকা সংবাদদাতা:  রাজধানীর মুগদা থানা এলাকায় প্রকাশ্য মাদক বেচাকেনা নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাদক ব্যবসায়ী রকেট মামুন ও তার পুরো পরিবার দীর্ঘদিন ধরে এই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত মান্ডা ৭১ নং ওয়ার্ড পেয়ার আলী গুলির ভিতরে রকেট মামুনের নিজ ভবনে গড়ে তুলেছে মাদকের স্বর্গরাজ্য আর তার এই মাদক ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে যুব সমাজের কাছে হাত বাড়ালে মিলছে মামুনের ডেরায় বিভিন্ন ধরনের মাদক অভিযোগ রয়েছে এলাকার আশপাশসহ একাধিক ‘হটস্পট’-এ, দিনের পর দিন ইয়াবা, গাঁজা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্যের কেনাবেচা চলে অভিযোগ উঠে এসেছে বরাবর পুলিশের অভিযান চললেও তাদের চোখে ফাঁকি দিয়ে চলছে রমরমা মাদক ব্যবসা এতে পুলিশের নজরদারি ও দায়িত্ব পালনের প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, পুরো এলাকা জুড়ে রয়েছে রকেট মামুনের মাদকের সিন্ডিকেট কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায় রকেট মামুন মাদক বিক্রি করে আসছে মামুনের নামে মুগদা থানায় রয়েছে একাধিক মাদক মামলা যদি ও মাদক সহ পুলিশ ধরে নিয়ে আসলে জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে পুনরায় আবার শুরু করে তার এই অবৈধ মাদক ব্যবসা। স্থানীয় বাসিন্দাদের মুখ থেকে শোনা যায় রকেট মামুনের এই মাদক ব্যবসা দুই যুগেরও বেশি তার এই মাদক ব্যবসার জন্য এলাকাবাসী অতিষ্ঠ ছেলে মেয়েদের কে নিয়ে সব সময় ভয় এবং আতঙ্কে থাকে কখন জানিয়ে তাদের আদরের সন্তান এই ভয়ানক মাদকে জড়িয়ে পড়ে এবং আরো অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে একি এলাকার প্রতিবেশী লিংকন এর সঙ্গে ইচ্ছে করে বিরোধ সৃষ্টি করে মাদক ব্যবসায়ী রকেট মামুন সারাক্ষণ মাদকাসক্ত থাকেন প্রতিবেশী লিঙ্কনের বাড়িরর গেটের সামনে বসে মাদক বিক্রি থেকে শুরু করে সেবন পর্যন্ত করে থাকেন বলে জানিয়েছেন লিংকন এতে তার বাড়ির ভাড়াটিয়া চলাচল করতে অসুবিধা হলে রকেট মামুনকে মাদক ব্যবসা করতে নিষেধ করে মাদক ব্যবসায়ী রকেট মামুন ক্ষিপ্ত হয়ে লিংকন ও তার স্ত্রীকে মারধর করে এবং সেই সাথে হুমকি প্রদান করে পিস্তল ঠেকিয়ে ভুক্তভোগী লিংকন এবং তার স্ত্রী থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করে আসে নিরাপত্তার জন্য সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে। পরিচিত এলাকায়ও মাদক আখড়া সক্রিয় রয়েছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিন এসব এলাকায় লাখ লাখ টাকার মাদক বিক্রি হয়। মাদকের সহজলভ্যতায় তরুণ সমাজ ধ্বংসের পথে। অনেক উঠতি যুবক ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।প্রায় প্রতিরাতেই এসব আসরকে কেন্দ্র করে মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে চাঞ্চল্যকর আরও অভিযোগ উঠেছে, মাদক চক্র প্রতিদিন , কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাপ্তাহিক মোটা অংকের টাকার দিয়ে থাকে এতে সব স্পট বন্ধ থাকলেও মামুনের স্পট সব সময় চলমান সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মাদক কারবারিদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী বিক্রেতারা অবস্থান নেয়—এ তথ্য স্থানীয়দের কাছে এখন ‘ওপেন সিক্রেট’। তবুও নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি বা ধারাবাহিক অভিযানের দৃশ্যমান রয়েছে তবুও প্রমাণ নেই বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য
“প্রতিদিন একই মুখ, একই জায়গা। ক্রেতা আসে, নেয়, চলে যায়। পুলিশ মাঝে মাঝে দেখা যায়, কিন্তু এই জায়গাগুলোতে কোনো তৎপরতা নেই।”আরেক বাসিন্দার দাবি,ছোটখাটো অভিযানে দু-একজন ধরা পড়লেও মূল হোতারা অধরা থেকে যায়। এতে সন্দেহ বাড়ছে—আসলে কি বড়দের ধরার সদিচ্ছা আছে?”
যুবসমাজ ঝুঁকিতে, বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতাঅভিভাবকদের অভিযোগ, মাদকের সহজলভ্যতায় কিশোর-যুবরা ঝুঁকিতে পড়ছে। সন্ধ্যার পর অনেক পরিবার চলাচল সীমিত করছে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে দাবি করেছে, “অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে”—কিন্তু কবে, কীভাবে এবং কার বিরুদ্ধে—সে বিষয়ে স্পষ্টতা নেই।প্রশ্নগুলো থেকেই যায়চিহ্নিত হটস্পট জানা থাকা সত্ত্বেও কেন ধারাবাহিক অভিযান নেই?
কেন বারবার ছোট মাছ ধরা পড়ে, বড়রা অধরাই থাকে?নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা তথ্য থাকা সত্ত্বেও কেন দৃশ্যমান ফল নেই?এলাকাবাসী দ্রুত স্বচ্ছ তদন্ত, ধারাবাহিক অভিযান ও ফলাফল প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। তারা পুলিশ সদর দপ্তর ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ