লোড হচ্ছে...

ডেকারর্স লেনের খাবারের দোকানে ,খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকরা অভিযান চালান।

 ৫ই সেপ্টেম্বর শনিবার, ঠিক দুপুর দুটো নাগাদ, কলকাতা কর্পোরেশন ও ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা অভিযান চালান ডেকারর্স লেনের হোটেল ও মিষ্টির দোকানে। প্রায় আড়াই তিন ঘন্টা ধরে চলে এই অভিযান, অভিযানের সময় হোটেল গুলি থেকে বেশ কিছু খাদ্যদ্রব্য বাজেয়াপ্ত করেছে। এবং প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি বাজার তো হয়। তাই নয়, রান্না করার মসলা, পনির, হলুদ গুঁড়ো, প্রভৃতি বাজেয়াপ্ত করে, এবং সেই সকল দোকানের মালিকদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করেন। যে সকল দোকানে রঙের ও ভেজাল জিনিস দিয়ে খাবার তৈরি হয়েছিল সেগুলোকে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া হয়। এবং পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়, ব্র্যান্ডেড মসলা ও খাদ্যদ্রব্য ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না, প্রত্যেকটি দোকানের লাইসেন্স পরীক্ষা করে দেখেন অনুমতি আছে কিনা, তবে যে পরিমাণে মিষ্টির দোকানের মিষ্টি পাওয়া গিয়েছে, তাহাদের লাইসেন্স থাকবে কি থাকবে না, এই নিয়ে আধিকারিকরা কিছু জানার নেই, শুধু বলেন উপরমহল থেকে যার নির্দেশ আসবে সেই মতো কাজ করা হবে। যেভাবে বড় বড় হোটেল ও রাস্তার ধারে বসা দোকানগুলি থেকে কষ্ট খাবার উদ্ধার হচ্ছে যেগুলি প্রতিনিয়ত মানুষ খেতো টাকার বিনিময়ে, সেই খাদ্য দ্রব্য গুলি সাধারণ মানুষের ক্ষতি ডেকে আনতো। একটি ও পুষ্টিকর খাদ্য নয়। কোন খাবারে ফাঙ্গাস, কোন জিনিসের ডেট শেষ, আর কোন জিনিস পচে গিয়েছে, সকল খাবার তৈরি করে সাধারণ মানুষকে খাওয়ানো হতো। যাহারা আজও খেতে এসেছিলেন, এই অভিযান দেখে হতবাক, উপস্থিত ক্রেতারা বলেন আমরা খাবার জন্য এই হোটেলে জমা হয়েছিলাম। কেউ বর্ধমান থেকে আসা, কেউ বারাসাত থেকে আসা, কেউ বা বললেন আমি হুগলি ডিস্ট্রিক এ থাকি। একটা কাজে এসে খিদে পাওয়ায় আমি খেতে এসেছিলাম। 
এই ডেকার্স লেনে যে সকল দোকান হোটেল রয়েছে প্রতিদিন শয়ে শয়ে মানুষ খেতে আসে, অফিস-যাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ, সেই সকল সাধারণ মানুষের মধ্যে থেকে কয়েকজন জানান, সরকারের তরফ থেকে এটা একটা বড় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, নইলে আমরা জানতে পারতাম না, প্রতিনিয়ত টাকার বিনিময়ে আমরা কি খাচ্ছি। এই অভিযানের ফলে আমাদের চোখ খুলে দিল, বড় বড় নামিদামি হোটেলে মিষ্টির দোকানে কি হয়। সরকারের তরফ থেকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ