লোড হচ্ছে...

কুমিল্লার লালমাইয়ে ধান ক্ষেত হতে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার।



 স্টাফ রিপোর্টার কুমিল্লায় বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বের হয়েছিল সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী, চার দিন পর মিলল মরদেহ।সে রেসকোর্স এলাকার বাসিন্দা এবং ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত চার দিন আগে(৪অক্টোবর) বাসায় জানিয়ে বের হয়েছিল বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজ হওয়ার পর সর্বশেষ কক্সবাজার থেকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারের নূরজাহান হোটেলের সামনে তাকে নামতে দেখা যায়।ঘটনার মোড় ঘুরে যায় গতরাতে। রাত আনুমানিক দুইটার দিকে ওই ছাত্রী তার বাবার মোবাইলে লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে তাকে সেখানে এসে নিয়ে যেতে বলে, তার বাবা ঘুমন্ত থাকায় মেসেজটি দেখতে পারেনি বলে জানায়। সেই লোকেশন অনুসরণ করেই পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জগতপুরের একটি ধানক্ষেতে পাওয়া যায়, এবং ধানক্ষেতে প্রচুর দৌড়াদৌড়ির চিহ্ন ছিল। এবং ঘটনাস্থলের পাশে একটি সিএনজি উল্টানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। আশপাশের ধানক্ষেতের পরিস্থিতি দেখে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে কেউ দৌড়াদৌড়ি বা ধস্তাধস্তি হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ভ্যানিটি ব্যাগ ও জামাকাপড়ও উদ্ধার করা হয়েছে।তবে ঘটনায় সামনে এসেছে বেশ কিছু প্রশ্ন।বাসা থেকে বের হওয়ার পর টানা চার দিন কোথায় ছিল সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রী ? এই সময়ে সে কার সঙ্গে ছিল? পরিবার কি তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পেয়েছিল? যে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে সে বের হয়েছিল, সেই বাসাটি কি পরিবারের পরিচিত ছিল না? আর কক্সবাজার থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত সে কীভাবে, কার সঙ্গে এবং কেন এসেছিল?সবচেয়ে বড় প্রশ্ন - মরদেহ উদ্ধারের আগে ওই চার দিনে তার সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছিল?
এসব প্রশ্নের উত্তর কে সামনে রেখে তদন্ত খুঁজছে পুলিশ ও সংশ্লিষ্টরা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ