এ জে সোহেল, ষ্টাফ রিপোর্টারগত ২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে শাসনগাছা এলাকায় কর্মরত ট্রাফিক পুলিশ এক মোটরসাইকেল চালককে থামার সংকেত দিলে সে নিজেকে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কর্মকর্তা বলে পরিচয় দেয় এবং নিজের নাম রাসেল বলে জানায়। তবে তার মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজাদি ও উপযুক্ত প্রমাণ না থাকায় কর্তব্যরত সার্জেন্ট নিয়ম অনুযায়ী মোটরসাইকেলটি ডাম্পিংয়ে প্রেরণ করেন।পরবর্তীতে গত ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অভিযুক্ত রাসেল হোসেন ডাম্পিংয়ে থাকা মোটরসাইকেলটি ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য ট্রাফিক পুলিশ অফিসে এসে পুনরায় নিজেকে সিআইডি কর্মকর্তা হিসেবে জাহির করে। এ সময় কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের সন্দেহ হলে তারা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখাকে (ডিবি) অবহিত করেন।খবর পেয়ে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ টিম দ্রুত ট্রাফিক পুলিশ অফিসে উপস্থিত হয়। সেখানে তার পরিচয় ও কর্মস্থল পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, সে সিআইডির কেউ নয়, বরং একজন পেশাদার প্রতারক। সে দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া নাম-ঠিকানা ও পদবি ব্যবহার করে সিআইডি পুলিশের নাম ভাঙিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে বিভিন্ন উপায়ে প্রতারণা করে আসছিল। এ সময় তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে সিআইডির লোগোসংবলিত একটি ভুয়া আইডি কার্ডের ছবি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি সিআইডি লেখা কটি পরা ভুয়া ছবি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক ও ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত রাসেল হোসেন স্বীকার করে যে, সে দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ধরনের ভুয়া ও প্রতারক চক্রের বিষয়ে সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।


0 মন্তব্যসমূহ