লোড হচ্ছে...

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান রফিক, আলোচনায় নতুন মুখ ।


মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:রাকিবুল ইসলাম মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন মোঃ রফিকুল ইসলাম খান রফিক। স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মুখ হিসেবে পরিচিতি পেলেও অতীতের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাঁকে নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে।মোঃ রফিকুল ইসলাম খান রফিক দৌলতপুর উপজেলার কুমুরিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি মরহুম বক্তার আলী খানের সন্তান। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে তিনি নিজের পরিচিতি গড়ে তুলেছেন বলে জানা গেছে।রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর এই রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।বর্তমানে তিনি খলশী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ততার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এলাকায় নিজের অবস্থান তুলে ধরছেন তিনি।আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে দৌলতপুর উপজেলায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মোঃ রফিকুল ইসলাম খান রফিকের নাম আলোচনায় এসেছে। নতুন মুখ হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং এলাকার উন্নয়ন নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কেমন হবে, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।তবে নির্বাচনে তাঁর আনুষ্ঠানিক প্রার্থিতা, নির্বাচনী পরিকল্পনা এবং স্থানীয় ভোটারদের সমর্থনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এসব বিষয়ে তাঁর বক্তব্য ও নির্বাচনী অবস্থান জানা গেলে প্রার্থিতা নিয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আগামী দিনে দৌলতপুরে যাঁরাই জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, তাঁরা যেন এলাকার রাস্তাঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ