লোড হচ্ছে...

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ভয়াবহ বন্যা অসহায় অবস্থায় হারবাং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড কাটাখালি বানভাসি ভুক্তভোগী।


নুরুল আলম স্টাফ রিপোর্টারঃ Smtv Media

কক্সবাজারে ১৪ জুলাই, ২০২৬ ইংরেজি রোজ মঙ্গলবার।টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এর মধ্যে হারবাং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের দুর্দশা চরমে পৌঁছেছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বসতবাড়ি, গ্রামীণ সড়ক ও ফসলি জমি। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন স্থানীয়রা।ভিডিওতে দেখা যায়, হারবাং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড কাটাখালির বাসিন্দা নুরুল আলমের ঘর বন্যার পানিতে সম্পূর্ণ নিমজ্জিত। গৃহপালিত হাঁস-মুরগি নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তিনি। পরিবার ও গবাদি পশু হাঁস মুরগি নিয়ে চরম বিপাকে পড়ে তিনি। পরিবার নিয়ে ঘর ছেড়ে আশ্রয় নেওয়ার মতো নিরাপদ স্থান না থাকায় পানিতে ডুবে থাকা বাড়িতেই কোনোমতে দিন কাটাচ্ছেন। ঘরটির অবকাঠামো অত্যন্ত জরাজীর্ণ, যা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে যেকোনো সময় ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।ভুক্তভোগী নুরুল আলম আক্ষেপ করে বলেন, "আমাদের ঘরবাড়ি বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। আমরা খুবই কষ্টে দিন পার করছি। দুই-তিনজন শিশু নিয়ে এখন কোথায় আশ্রয় নেব, তা বুঝতে পারছি না।" স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এছাড়া ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় রান্না করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে, ফলে শুকনো খাবারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।উল্লেখ্য যে, গত কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চকরিয়া, মাতামুহুরি ও পেকুয়া উপজেলার অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে দুর্গতদের সহায়তার চেষ্টা চললেও বন্যাকবলিত বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ ও নিরাপদ আশ্রয়স্থল নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভয়াবহ এই বন্যায় চকরিয়াসহ পুরো জেলার জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ