লোড হচ্ছে...

গোলখালী ইউনিয়নে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ ১০ ইউপি সদস্যের স্বাক্ষরে জেলা প্রশাসনে অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর।


গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি, পটুয়াখালী।পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ২নং গোলখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল-১ চেয়ারম্যান আকন মোঃ আবু সাইদের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গোলখালী ইউনিয়নের গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি মোঃ রেজাউল হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মজিবুর রহমান, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোসাঃ ঝুমুরসহ ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও পুরুষ ইউপি সদস্যসহ মোট ১০ জনের পক্ষ থেকে প্যানেল-১ চেয়ারম্যান আকন মোঃ আবু সাইদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না করে নয়ছয় করা হয়েছে। বিশেষ করে নলুয়াবাগী এলাকার সরকারি বরাদ্দের কাজ নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে। বরাদ্দ অনুযায়ী জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।নলুয়াবাগী এলাকার কয়েকজন সাধারণ মানুষ বলেন, সরকারি বরাদ্দ এলে এলাকার উন্নয়ন হবে এমন প্রত্যাশা থাকে তাদের। কিন্তু বরাদ্দের কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ মানুষ। তাই সরকারি অর্থ কোথায়, কীভাবে ব্যয় হয়েছে তা তদন্তের মাধ্যমে জনগণের সামনে পরিষ্কার করার দাবি জানান তারা।এদিকে অভিযোগের বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মোঃ ইজাজুল হক বলেন, “বিষয়টি আমি শুনেছি। বিষয়টি দেখবো। অন্যদিকে প্যানেল-১ চেয়ারম্যান আকন মোঃ আবু সাইদ তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। তিনি দাবি করেন, গোলখালী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ সোহাগ খানের একটি চক্র তার মেম্বারদের জিম্মি করে স্বাক্ষর নিয়েছে।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সরকারি বরাদ্দের অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় হয়েছে কি না, অভিযোগগুলো কতটা সত্য এবং কারও ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে কি না তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসুক, এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।গোলখালী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের দাবি, সরকারি অর্থ জনগণের অর্থ। সেই অর্থের প্রতিটি টাকার হিসাব জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। তাই কোনো পক্ষের প্রতি পক্ষপাত না করে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্য উদঘাটন এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।এখন সাধারণ মানুষের অপেক্ষা অভিযোগের সত্যতা কতটুকু, তদন্তে কী বেরিয়ে আসে এবং সরকারি বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয় কি না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ