লোড হচ্ছে...

দিঘলিয়ায় ৬১ পূজামণ্ডপ সিসিটিভির আওতায়, নিরাপত্তায় থাকবে আনসার সদস্যরা ।


জাহিদ হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার ৬১টি পূজামণ্ডপ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখা হবে। পাশাপাশি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাধারণ মণ্ডপে ছয়জন এবং গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে আটজন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যদের সতর্কতা, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন দাশগুপ্ত।
আনসার সদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্যে তিনি বলেন, দুর্গাপূজা চলাকালে কোনো পূজার্থী বা দর্শনার্থী যেন অসুবিধার সম্মুখীন না হন, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। দায়িত্ব পালনের সময় চোখ-কান খোলা রেখে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে সতর্ক থাকতে হবে। কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার গায়ে হাত না দিয়ে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।এ সময় দিঘলিয়া থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরূপ চৌধুরী আনসার সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তিনি পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানান।উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মমতাজ খানমও বক্তব্যে আনসার সদস্যদের দায়িত্বশীলতা, শৃঙ্খলা ও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।উপজেলার ছয় ইউনিয়নে ৬১টি পূজামণ্ডপপ্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দিঘলিয়া ইউনিয়নে ৬টি, সেনহাটি ইউনিয়নে ৮টি, বারাকপুর ইউনিয়নে ১৭টি, গাজীরহাট ইউনিয়নে ২৭টি, আড়ংঘাটা ইউনিয়নে ২টি এবং যোগিপোল ইউনিয়নে ১টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।৬১টি পূজামণ্ডপ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখার উদ্যোগ এবং আনসার সদস্যদের নিরাপত্তা দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে পূজামণ্ডপগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, আনসার সদস্য ও পূজা উদযাপন কমিটির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দিঘলিয়ায় শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ