লোড হচ্ছে...

পুলিশ চিনতে না পারায় থানার সামনে মশাল মিছিল, বিক্ষোভ ছাত্রদলের ।


 স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মাহাবুল ইসলাম মুন্না: রাজশাহীর পবায় ছাত্রদলের পদপ্রত্যাশী এক তরুণকে পুলিশ চিনতে না পারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানার সামনে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ-সমাবেশ হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) কর্ণহার থানার সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।বিক্ষোভে নেতৃত্ব ও বক্তব্য দেন সাদমান সাকিব। তাঁর বাড়ি পবা উপজেলার দারুশা ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে। তিনি জেলা তাঁতী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও গত ১৫ আগস্ট ওই পদ থেকে পদত্যাগ করেন। বর্তমানে তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং জেলা ছাত্রদলের পদপ্রত্যাশী। তবে ছাত্রদলের কোনো পদে তিনি বর্তমানে নেই।সাদমান সাকিবের অভিযোগ, গত ২৮ আগস্ট রাতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে তাঁর দুই কর্মী নাজমুল ও রেফাজুল তাঁকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে মোটরসাইকেলে করে ফিরছিলেন। রাতের দিকে শিশাপাড়া ঈদগাহের সামনে কর্ণহার থানা পুলিশের একটি টহল দল তাঁদের মোটরসাইকেল থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।সাদমানের দাবি, এ সময় উজ্জ্বল নামের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) তাঁদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং তাঁকে কটূক্তি করেন। পুলিশকে জানানো হয়েছিল যে, তাঁর দুই কর্মী তাঁকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে ফিরছেন। এরপরও তাঁদের তল্লাশির নামে হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বিক্ষোভ-সমাবেশে সাদমান সাকিব বলেন, “বয়স কম দেখে আমাদের হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। সন্দেহ হলে পুলিশ থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। কিন্তু পুলিশের আচরণ খারাপ ছিল।”এ সময় তিনি স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার সমালোচনা করেন। পাশাপাশি পুলিশি হয়রানির অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আরএমপি কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।অভিযোগের বিষয়ে কর্ণহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।তবে ঘটনার বিষয়ে আরএমপির মুখপাত্র ও উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, থানার সামনে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ-সমাবেশের ভিডিও তিনি দেখেছেন। পরে বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নেওয়া হয়েছে।তিনি জানান, সাদমান সাকিবের দুই কর্মী রাত ১টার পর মোটরসাইকেলে করে ফিরছিলেন। টহল পুলিশ তাঁদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় তাঁরা সাদমান সাকিবকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে আসার কথা জানান।আরএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, এএসআই উজ্জ্বল পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি সাদমান সাকিবকে চেনেন না। মূলত এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই থানার সামনে বিক্ষোভ-সমাবেশ হয়েছে।
বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ